এন্টিম ক্রড

এন্টিম ক্রুড এর জন্ম হয়েছে ১৮২৮ সালে:

-: গল্পে গল্পে :-

মাস্টার হ্যানিম্যান এন্টিমনি এবং সালফারের কম্বিনেশনে আমাকে প্রস্তুত করছেন আপনাদের সমাজে আপনাদের সাহায্য করার জন্য

আমি দেখতে একটু নাদুসনুদুস , খেতে খুব ভালবাসি তবে ছোট হওয়ার কারনে কেউ তেমন কিছু খেতে দেয় না, আপাতত দুধ খেয়ে জীবন চলছে আমার।

আমি একটু সেনসেটিভ টাইপের বাবু, বাচ্চারা তোহ অনেক শান্তশিষ্ট হয় এবং সবাই তাদের কোলে নিতে চায় কিন্তু আমার এতো মানুষের কোলে উঠতে ভালো লাগে না, কেউ আমাকে ধরলে এমনকি আমার দিকে তাকালেও অস্বস্তি লাগে এবং মেজাজ খারাপ হয়ে যায় আমার।

চুপচাপ নিজের মতো করে হাসতে খেলতেই আমার ভালো লাগে।

বদমেজাজি আর খুঁতখুঁতে ভাবের জন্য অথবা

মাঝে মাঝে বেশি খাওয়ার কারনে চাকা চাকা বমি করে ফেলে দেই। বেশি খাওয়ার জন্যই আমার পেটের সমস্যা দেখা দেয়।

এরপর আস্তে আস্তে জিহ্বার মধ্যে একটা সাদা প্রলেপ তৈরি হয়, আর আমি আস্তে আস্তে বড় হতে থাকি।

বমি আর পেটের গোলযোগ আমার চলমান থাকে

বাচ্চা থেকে আস্তে আস্তে কৈশোর-যৌবনে পা দিলাম।

এখন কেমন জানি প্রফুল্লতা কাজ করছে, কবিতার ছলে কথা বলছি অথবা গুনগুন করে গাইছি।

হঠাৎ করে একদিন আমাদের বাসায় একটা সুন্দরী মেয়ে আসলো , জানতে পারলাম মেয়েটি আমার আম্মুর দুঃসম্পর্কের বোনের মেয়ে, সে যাই হোক মেয়েটাকে প্রথম দেখায় তার প্রেমে পড়ে গিয়েছি,

পুর্নিমার চাঁদের আলোয় আরো রোমান্টিক হয়ে যাচ্ছি

কিন্তু মাত্র একটা দিনের ঘটনায় আমার জীবনে নতুন মোড় নিলো, ভালোবাসার প্রকাশটা তার কাছে করেই ফেললাম, কিন্তু হায়!! তার কাছে প্রত্যাখ্যাত হলাম।

মাথার উপর থেকে মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাই সরে গেল। দিনে দিনে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ আর বিষন্নতা আমাকে পেয়ে বসল, বেঁচে থাকার আগ্রহটাও হারিয়ে ফেললাম। দুশ্চিন্তায় মুখের মধ্যে শক্ত ব্রনের মতো কিছু একটা উঠতে লাগলো।

এখন আর পূর্নিমার চাঁদ ভালো লাগে না, মাথাব্যথা বা শরীরব্যথা শুরু হয়ে যায় তখন।

ছোখটি শুকিয়ে যাচ্ছে মূখ ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে কিন্তু পেটটি যেমন তেমনই আছে।

আগের থেকে পেটের গোলযোগ বেড়েছে।

টক জাতীয় খাবারের প্রতি আমার কেমন জানি আগ্রহ তৈরি হচ্ছে তবে কিছুদিন পরে পছন্দ হলেও আর টক জাতীয় খাবার সহ্য করতে পারছি না।

দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে সব কিছু ভুলে থাকতে মদ খাওয়া শুরু করলাম, বিশেষ করে টক জাতীয় মদ খেতে আমার ভালো লাগছে, কিছুদিন খাওয়ার পর আমার মদও সহ্য হচ্ছে না। তাতে পেটের সমস্যা বাড়ছে, পেটের মধ্যে এতো জোরে শব্দ হচ্ছে আর মনে হচ্ছে আশেপাশের মানুষেরাও এই শব্দ শুনতে পাচ্ছে।

আরো একা হয়ে যাচ্ছি দিন দিন।

ঠান্ডা পানিতে গোছলের প্রতি অনিহা কাজ করছে।

অনিহা তোহ কাজ করবেই কারন ঠান্ডা পানিতে গোছল করলে আমার সব সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।

একজন বন্ধু বললো শশা খেলে নাকি চর্বি কমে

তাই এখন প্রতিনিয়ত শশা খাচ্ছি খেতেও ভালো লাগছে। যদি এই উছিলায় পেটটি একুটু কমে।

সবকিছু আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

বাসা থেকে অনেক প্রেসার দিচ্ছে কোন কাজ করার জন্য, পড়াশোনাটা তোহ ওইভাবে করিনি, কে কাজ দিবে আমাকে?? নিজ উদ্যোগে লেবারের কাজে যোগ দিলাম। রোদের মধ্যে থেকে কাজ করতে হয় সারাদিন, আসলে কিছু করারও তোহ নেই প্রেমে অন্ধ হয়ে যে সব নির্বাসন দিয়েছিলাম আগে।

অনেক দিন তোহ হলো, এখন আর বেশি রোদেও যেতে পারছিনা, আগুনের কাছে চুলোর কাছে যেতে পারছিনা। লেবারের কাজ করতে করতে পায়ের এবং হাতের নোখ গুলি রুক্ষ হয়ে গেছে, মনেহচ্ছে হাতের মধ্যে শিং গজিয়েছে।

লেবারের কাজটা বোধহয় আর করতে পারবোনা কারন পায়ের তলায় কি জানি শক্ত শক্ত উঠেছে খুব ব্যথাও করছে হাটতেই যে পারছিনা।

এদিকে নতুন করে পায়খানার সমস্যা দেখা দিয়েছে, কখনও কখনো ডায়রিয়া হয় কতক্ষণ পরেই কোষ্ঠকাঠিন্য।

হাতের আঙ্গুলে এবং জয়েন্টে জয়েন্ট ব্যথা শুরু হয়েছে। পানির পিপাসা অনেক কমে গেছে, কিন্তু বিরক্তিকর ব্যপার কি জানেন??

ঠোঁটটি কতক্ষণ পর পর শুকিয়ে যায় এইজন্য জিহ্বা দিয়ে বারবার ঠোঁট ভিজিয়ে দিতে হয়।

বয়সটা এখন কম হয়নি, বৃদ্ধ হয়ে গেছি প্রায়

নতুন করে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।

প্রতিদিন সকালে উদরাময় হয় সাথে বমিও হয়ে যায়

 

 

গভীর ক্রিয়াশীল এন্টিসোরিক মেডিসিন, কিছুটা সাইকোটিকের প্রবনতাও আছে।

কমপ্লিমেন্টারি ঔষধ হচ্ছেঃ ইস্কুইলা

ডাঃ ক্লার্কের মতে  ক্রিয়াকাল হচ্ছে ৪ সপ্তাহ।

ক্রিয়া নাশক ঔষধ হচ্ছে- হিপার সালফার এবং মার্কুরিয়াস।